শ্রীপুরে আ.লীগ নেতা অ্যাড. ফরিদকে নিয়ে অপপ্রচার

0
168
নবনির্বাচিত উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুন অর রশিদ ফরিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান নবনির্বাচিত উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুন অর রশিদ ফরিদকে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে সামাজিকভাবে হেয় ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল।

হারুন অর রশিদ ফরিদ তিনি ১৯৮৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের হাত ধরে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। ১৯৯০ সালে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা আঞ্চলিক শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ১৯৯২ সালে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন। একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সর্বাধিক ভোটে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়। সুনামের সহিত ১৯৯৭ সালে উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। পরবর্তিতে উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. সামসুল আলম প্রধান ও প্রয়াত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুলের কমিটিতে পরপর তিনবার সদস্য, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম এমপির কমিটিতে সদস্য, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ওমর ফারুক চৌধুরী ও হারুন অর রশীদের সাথে সহ-সম্পাদক পদে থেকে অসীম সাহস নিয়ে রাজপথে লড়াই ও সংগ্রাম করে আ.লীগের চরম দু:সময়ে ২০০১ ও ১/১১ এর সময় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা থেকে মুক্ত করার জন্য রাজপথ ও সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে সক্রিয় ভূমিকা পালন, মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদেরকে নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহ মামলার সাক্ষী হিসেবে সাহসী ভূমিক পালন করেন তিনি।

সর্বশেষ চলতি বছর অর্থাৎ ৮ মার্চ ২০২২ তারিখে জমকালো আয়োজনে উপজেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে শ্রীপুর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ লাভ করেন তিনি।

পদ পাওয়ার পর থেকে পদবঞ্চিত ও একটি কুচত্রুী মহল তার পেছনে উঠে পড়ে লেগেছে। প্রতিনিয়ত তাকে নিয়ে মিথ্যে অপবাদ নিয়ে হেয় করার মতো গভীর ষড়ন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে অ্যাড. হারুন অর রশিদ ফরিদ জানান, যারা অনুপ্রবেশকারী, ভুঁইফোড় তারাই তার মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত আ.লীগের নেতাকর্মীদের দলের বাইরে রেখে ফায়দা লুটতে তৎপর। এরা বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আ.লীগকে নিজস্বকরণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, দুর্নীতি ও অবৈধ পন্থায় স্বার্থ হাছিল করতে চায়। তিনি বলেন, রাজনীতিতে অসুস্থ মস্তিস্ক ব্যবহার না করে সুস্থ মস্তিস্ক ব্যবহার করলে দল ও নিজের সুনাম অক্ষুন্ন থাকবে। তাই আসুন হীনমনা কর্মকাণ্ড থেকে বের হয়ে আমরা সকলে মিলে-মিশে এক হয়ে আ.লীগ পরিবার গঠন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here