শ্রীপুরের মাওনা কাঁচাবাজারে অল্প বৃষ্টিতে হাটু পানি!

0
190

শ্রীপুর বার্তা ডেস্ক

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ব্যস্ততম নগরী মাওনা চৌরাস্তার কিতাব আলী প্লাজার উত্তর পাশে কাঁচাবাজারে অল্প বৃষ্টি হলেই প্রায় হাটু পানি জমে থাকে। ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে মাওনা চৌরাস্তা অন্যতম কাঁচাবাজার টেপিরবাড়ি আঞ্চলিক সড়কটি র্দীঘ দিন ধরে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা র্কাযকর না থাকায় বৃষ্টির পানি ও কাঁদায় জন সাধারনের চলাচল অনুপযোগী হয়ে পরে। রাস্তার মাঝখান দিয়ে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা থাকলে ও ময়লা আর্বজনায় পরে ড্রেনে দিয়ে পানি চলাচল করতে পারে না। পানি ও কাঁদার কারণে ক্রেতা আসতে না পারায় ব্যাবসায়ীদের মাথায় হাত। দেখা যায় আশপাশের পানি চলাচলের কোন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার উপর পানি আটকে থেকে ব্যবসায়ীরা র্দীঘ দিন ধরে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলবদ্ধতা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। এর কারণ হিসাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ত্রুটিকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

শুক্রবার বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীপুরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক কেন্দ্র মাওনা চৌরাস্তার উত্তর পাশের কাঁচাবাজার ও এর আশপাশ পানিবন্দী হয়ে আছে। বাজার হয়ে মাওনা চৌরাস্তা-কাঁচা বাজার টেপিরবাড়ি সংযোগ সড়কটির অবস্থান। আশপাশের বড় বড় মার্কেটের মালিকরা রাতের আধারে টয়লেটের ময়লা পানি ছেড়ে দেয়,এই সড়কে শতশত মানুষ ময়লা পানি পায়ে পাড়িয়ে কাঁচাবাজারে করছে। রাস্তার এক পাশে আধুনিক বিপনী কেন্দ্র কিতাব আলী প্লাজা ও ইয়াকুব আলী মাস্টার টাওয়ারে প্রবেশের বিকল্প পথ। এই বিপনীকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশেও দুর্ভোগে পড়ছেন ক্রেতারা। তা ছাড়া রমজান উপলক্ষে কাঁচাবাজারের তুলনামূলক ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়া মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে।

কাঁচাবাজারের সেনেটারী ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল মজিদ শ্রীপুর বার্তাকে জানান, একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের এই অংশে পানি জমে যায়। ড্রেন থাকার পরেও এমন জলাবদ্ধতার কারণ ড্রেন পরিস্কার না করা। তিনি বলে, এটি বৃষ্টির মৌসুম, এ সময় প্রায়ই বৃষ্টি হবে। বৃষ্টিতে এমন জলাবদ্ধতা থাকলে তো আমাাদের ক্রেতা সংকটে ভোগতে হবে। মাওনা চৌরাস্তার চাল ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, ড্রেন থাকার পরেও এমন জলাবদ্ধতা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ব্যবসায়ীরা ভোগান্তি ও ক্ষতির সম্মুখীন। টেপিরবাড়ি থেকে আসা ক্রেতা এস এম জহিরুল ইসলাম বলেন, ময়লা ও দূর্গন্ধযুক্ত পানি পাড়িয়ে বাজারে যেতে হয়। একটা আধুনিক বাণিজ্যিক এলাকায় এমন দৃশ্য বেমানান।

সাব্বির ষ্টোর মালিক সাইফুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনপ্রতিনিধিরা এই দুর্ভোগ দেখেন না। এখন রমজান মাস পানির র্দূগন্ধে দোকানে বসতে পারি না। বেচা কেনা আমাদের কমে গেছে,আগের মত ক্রেতা আসে না। আলম স্টোর মালিক আলম বলেন,দীর্ঘদিন ধরেই দেখছি একটু বৃষ্টিতেই এই স্থানটিতে পানি জমে যায়। অথচ এর পাশে দুই-তিনটা বড় বড় বাণিজ্যিক কেন্দ্র আছে। মানুষের দূর্ভোগ বিবেচনা অতি দ্রুত পানি অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরী।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here