বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলো সরকার

0
130

শ্রীপুর বার্তা ডেস্ক

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা যায় ২০১০ খেকে ২০১৭ পর্যন্ত ৮ বছরে বজ্রপাতে প্রায় ১৮০০ এর অধিক মানুষ মারা যায়। বজ্রপাতের কারণে চলতি বছর বৈশাখের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আরো শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। তাই বজ্রপাতের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার জন্য সরকার পরীক্ষামূলকভাবে বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র বা লাইটেনিং ডিটেক্টিভ সেন্সর বসানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ঢাকা আবহাওয়া অফিসের প্রধান কার্যালয় ছাড়াও দেশের সবচাইতে বজ্রপাতপ্রবণ ৭ টি এলাকা- মংমনসিংহ, সিলেট, নওগাঁ, পঞ্চগড়, খুলনা, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামে এই লাইটেনিং ডিটেক্টিভ সেন্সর বসানো হয়েছে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও অন্ধ প্রদেশ এবং আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল পেয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ। এই ডিটেক্টিভ সেন্সরের মাধ্যমে বজ্রপাতের সুনির্দিষ্ট স্থান ও সময়ের ব্যাপারে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে এবং বজ্রপাতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর তা তাৎক্ষণিকভাবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের রিয়েল টাইমে পাওয়া যাবে। সেন্সরগুলোতে ধারণ করা তথ্য-উপাত্ত নিয়ে ১০-১৫ মিনিট আগেই বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর মাত্রা জানানো সম্ভব হবে। ফলে রেডিও টেলিভিশনেও সাথে সাথে তা সম্প্রচার করা সম্ভব হবে। তবে এই সতর্কবার্তা এখন ক্ষুদেবার্তার মাধ্যমে সকলের নিকট পৌঁছানো সম্ভব না হলেও ভবিষ্যতে সরকার তা বিবেচনা করবে।

এছাড়া প্রতিটি সেন্সরের রেঞ্জ ২৫০ কি.মি. এবং প্রতিটি সেন্সর থেকে এক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত মনিটরিং করা যাবে । ফলে ৮ টি অঞ্চলে স্থাপিত এসব ডিটেক্টিভ সেন্সরের মাধ্যমে দেশের প্রায় সব বজ্রপাত অঞ্চলেই সতর্কবার্তা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞগণ।

বজ্রপাতের ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার জন্য এর আগে সরকার দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ তাল গাছের চারা রোপনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। এ লক্ষ্যে তালগাছ উঁচু হওয়ায় তা বজ্রপাত নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় জানা যায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে সম্প্রতি বজ্রপাত বেশি হচ্ছে বলে মনে করছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। এ কারণে প্রাণহানির আশঙ্কাও বাড়ছে আশঙ্কাজনকহারে। তাই বজ্রপাতকেও একটি দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করে তারই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১০ লাখ তালগাছ রোপনের পর এবার লাইটেনিং ডিটেক্টিভ সেন্সর স্থাপন করায় বজ্রপাতের ক্ষতির হাত থেকে সাধারণ মানুষের রক্ষা পাওয়া সহজ হলেও এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকেও অবশ্যই সচেতন হতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞগণ।

 

সেনাবাহিনীর ২৭ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

সেনাবাহিনীর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার দুই ভাই সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। আমার ১০ বছরের ছোট ভাই, বড় হয়ে সে কী করতে চায়- এ প্রশ্নের জবাবে বলতো, সেনাবাহিনীতে চাকরি করবে।’ রবিবার (১৩ মে) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্পে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যখনই প্রয়োজন হবে সেনাবাহিনী দেশের মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবে। এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। অতীতের মতো সরকারকে সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও তারা মানুষের পাশে দাঁড়াবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেনা সদস্যদের জন্য কল্যাণমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। রসদ বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতা বাড়িয়েছি। তাদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। প্রথমবারের মতো আমরা সেনাবাহিনী প্যারা কমান্ডো ইউনিট চালু করেছি। ‘৯৬ সালে মেয়েদের সেনা ও বিমানবাহিনীতে নিয়োগের ব্যবস্থা করি। নারী পাইলট সংযোজন করে নতুন যুগের সূচনা করি। সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য কেন্দ্র করে দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, সেনা সদস্যের জন্য ২ লাখ টাকার দুস্থ ভাতা ৬ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এলপিআর-এর মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর জেসিও পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির করা হয়েছে। সার্জেন্টকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

সেনাবাহিনী শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুনাম অর্জন করেছে। এ মর্যাদা ধরে রাখতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নমূলক কাজ যেমন সেনাবাহিনী করছে তেমন শান্তি শৃঙ্খলায় কাজ করছে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নিতে দেশের সুনাম বহির্বিশ্বে বেড়েছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে, চুক্তি হয়েছে। কিন্তু তারা এখনো কিছু করছে না। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। দ্রুত রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হবে বলেও আশাবাদ বয়কট করেন প্রধানমন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সশস্ত্র বাহিনী আমাদের জাতির অহংকার। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করেছে। সেনাবাহিনীর অব্যাহত অগ্রযাত্রা আরো বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

 

ছাত্রলীগের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা: আদর্শ নেতৃত্বের উদাহরণ

শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার পরিবেশ বজায় না থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর তাতে অভিভাবকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, সর্বোপরি দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিকট অতীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খুনাখুনি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো অনেক ঘটনাই ঘটেছে। কিছু ঘটনায় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীরও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে এবং অনেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও হয়েছে। ফলে কিছু নেতাকর্মীর মধ্যে বাড়াবাড়ি করার যে প্রবণতা দেখা যেত, তা অনেকটাই কমে এসেছে।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনসহ বহু আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রলীগের অনেক গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। আবার সাম্প্রতিককালে সেই ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর আদর্শবিমুখ, অনৈতিক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জনমনে অসন্তোষেরও কারণ হয়েছে। গত শুক্রবার ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টির কোনো ঘটনা বরদাশত করা হবে না। তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করার এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের মানসিকতা নিয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য ছাত্রলীগের রাজনীতিকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সময়োপযোগী একটি বার্তা।

বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির সাথে ছাত্রলীগের নাম নিবিড়ভাবে জড়িত। ছাত্রলীগের কিছু বিচ্ছিন্ন কর্মীর অপকর্মের দায়ভার সাধারণভাবে ছাত্রলীগের উপর বর্তায় না। মনে রাখতে হবে, ছাত্রলীগ দেশের বৃহত্তম ছাত্র সংগঠন, তাই এর কর্মী সংখ্যা বিশাল। এছাড়া, বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারী আছে। দেশের মানুষ ছাত্রলীগের শৃঙ্খলা এবং আদর্শের ব্যাপারে অবগত। আর তাই তাদের ছাত্রলীগের উপর প্রত্যাশাও অনেক। স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তার পর তাই ছাত্রলীগ আরো বেশি সজাগ।

বিদ্যার সঙ্গে বিনয়, শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষা, কর্মের সঙ্গে নিষ্ঠা, জীবনের সঙ্গে দেশপ্রেম এবং মানবীয় গুণের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন। শত ষড়যন্ত্র আর চক্রান্ত নস্যাৎ করে ছাত্রলীগ স্বমহিমায় ভাস্বর হবে, নিবেদিত হবে দেশসেবায়, হয়ে উঠবে মানবীয় গুণের আধার- এমনতাই প্রত্যাশা সবার।

 

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ রাইজিং সম্মেলন ২০১৮

বিশ্বমন্দার কারণে পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশ যেখানে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি রাখতে ব্যার্থ, বাংলাদেশ সেখানে ব্যাতিক্রম। বিশ্বমন্দা আর প্রাকৃতিক দুযোর্গের মাঝেও গত একদশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা উচ্চমুখী, গত ৩ বছর ধরে তা ৭ শতাংশের উপরে রয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের মাপকাঠিতে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পর এবছরই বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। অল্প সময়ে বাংলাদেশের এমন অগ্রগতিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেক অর্থনীতিবিদ।

বাংলাদেশের এমন বিস্ময়কর অগ্রগতির গল্প এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ রাইজিং সম্মেলন ২০১৮’ নামের এক সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।আয়োজকরা জানিয়েছেন, কেমব্রিজের হার্ভার্ড লয়েব হাউজে এই সেমিনার বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত সবচেয়ে বড় একাডেমিক সম্মেলন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশষেজ্ঞরা দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনা, মত বিনিময় ও বিতর্কে অংশ নিয়েছেন।বাংলাদেশের উন্নয়নের এই গতির চালিকাশক্তি কী এবং বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে তা কীভাবে আরও গতিশীল করা যায়, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (আইএসডিআই)।

 

সম্মেলনের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দিয়েছেন টাফটস ফ্লেচার স্কুলের এর ইন্সটিটিউট ফর বিজনের ইন দ্য গ্লোবাল কনটেক্সট-এর উদীয়মান বাজার উদ্যোগ বিষয়ক ফেলো নিকোলাস সুলিভান।‘সামষ্টিক অর্থনীতির সম্ভাবনা ও সংস্কার’ বিষয়ে দিনের প্রথম অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান। তিনি তার আলোচনায় বাংলাদেশ কীভাবে ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করল এবং কী ধরনের নীতি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করবে, বর্তমানে কোন ধরনের সংস্কারে সরকার মনোনিবেশ করেছে- সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোকপাত করেন।সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ওপর মূল বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নের প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে কেন বাংলাদেশই সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান সে বিষয়ে একটি ভিডিও চিত্র দেখান তিনি।আবুল কালাম আজাদ বলেন বাংলাদেশের পানি ও বিদ্যুৎ খরচ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। এখানে রয়েছে বিশাল এক শ্রম বাজার। রয়েছে প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ, উর্বর ভূমি এবং ৪০ হাজার হেক্টরের ল্যান্ড ব্যাংক। বর্তমান সরকার বিনিয়োগ বান্ধব। দেশে বিনিয়োগের জন্য রয়েছে রাজনৈতিক অনুকূল পরিবেশ ও প্রতিশ্রুতি। বিনিয়োগকারীদের প্রদান করা হচ্ছে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সুবিধা।

 

সরকার ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে প্রতিবছরই বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ২১০০ সালে ডেলটা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার স্বপ্ন অভিযাত্রার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই বিনিয়োগের জন্য অবধারিতভাবে বাংলাদেশই হচ্ছে সর্বোত্তম স্থান।যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিরা কীভাবে বাংলাদেশের উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে এ সম্মেলনে।

শ্রীপুর বার্তা/তযু

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here