শ্রীপুরে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে জিকু

0
510

মোশারফ হোসাইন তযু –নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের রাজপথ কাঁপানো ছাত্রনেতা, ছাত্র রাজনীতির অহংকার, দুঃসময়ের রাজপথের অতন্দ্র  প্রহরী, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে যার কঠোর অবস্থান। শ্রীপুর  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, যিনি ইতিমধ্যে পুরো উপজেলায় তার মেধা ও দক্ষতা দিয়ে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি হচ্ছেন জাকিরুল হাসান জিকু।

সুজলা-সুফলা, শস্য-শামলা রূপসী বাংলার প্রত্যন্ত  অঞ্চলের নিভৃত পল্লী গাজীপুর   জেলার শ্রীপুর  উপজেলার শ্রীপুর সবুজবাগ গ্রামে বাবা শফিকুল আলম ও মা গৃহিনী জাহানারা বেগমের গর্ভে ১৯৮৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। এক ভাই আর এক বোনের মধ্যে জিকু বড়।

শ্রীপুর পৌর ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে রাজনীতিতে আসা যার। ছোটবেলা থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তিনি মনে প্রাণে ভালোবাসেন। তাঁর নীতি-আদর্শকে মনে লালন করেন।  ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল আওয়ামীলীগের রাজনীতি করবে। ছাত্র রাজনীতিতে ছোটবেলায় সরাসরি জড়িত না থাকলেও তার  কাছের বন্ধুরা স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল। কিছুটা অনুপ্রেরণা তাদের থেকেও পেয়েছে তিনি।  ২০০৬ সালে এসএসসি পাশ করার পর শ্রীপুর পৌর ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  পদে যুক্ত হয়ে, সেখান থেকেই  ছাত্র রাজনীতির বীজ বপন হয়েছিল খাতা কলমে তার। আর  সেখান থেকেই রাজনীতিকে মনে  গেঁথে ফেলেছেন।

জাকিরুল হাসান জিকু বলেন, আমার দাদা, আবুল হাসান ওরফে আবুল নেতা, এ দেশকে অনেক ভালোবাসতেন আর ভালবেসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশকে স্বাধীন করেছে। তিনিও  মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধুকে  ভালবাসতেন ও পরম শ্রদ্ধা করতেন। ছোটবেলা থেকেই বাবার মুখে দাদার যুদ্ধে যাওয়ার গল্প শুনেছি। তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ, দর্শন আমাকে রাজনীতির প্রতি আকর্ষণ করে। সত্যিকার অর্থে আমার  ভেতরের  যে রাজনৈতিক দর্শন আছে সেটি এসেছে আমার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পড়ার পর থেকে। বঙ্গবন্ধুর সমস্ত জীবনের ইতিহাস আমার ভেতরের রাজনৈতিক দর্শনকে পরিপূর্ণ একটা রূপ দিয়েছে।

গাজীপুরের-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এড. রহমত আলীর নীতি, আদর্শ আমাকে রাজনীতিক জীবনে কাজের অনুপ্রেরণা দেয়। এবং সাংসদ পুত্র এড. জামিল হাসান দূর্জয় আমার  দেখা অসাধারণ একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বিনয়ী একজন মানুষ।  অল্প সময়ে তার মেধা দিয়ে শ্রীপুরের অনেক কিছুই বদলে দিয়েছেন। ভাল কিছুর জন্য সবসময় বদ্ধপরিকর তিনি। তারা দুজনই আমার প্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। মানুষ হিসেবে তারা অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তারা আমার অনুকরণীয় আদর্শ। তাদের কথাবার্তা, চালচলন সবকিছু আমাকে মুগ্ধ করেছে।

তাদেরকে আমি গুরুর  আসনে স্থান দেই। আমার গুরু তারা।  তারাই আমাকে এ পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা  যুগিয়েছেন। ছোটবেলা  থেকেই অভাবী-অসহায় মানুষের কষ্ট দেখে বড় হয়েছি। যখন যেভাবে পেরিছি তাদের পাশে দাঁড়ানোর  চেষ্টা করেছি। তাদের ভেতরের অভাববোধটা জানি এবং বুঝি। আমি স্বপ্ন দেখি  গ্রামের অভাবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুঃখ, দুর্দশা ঘুচাবো।  মোটকথা বাকি জীবনটুকু মানুষের সেবায় নিবেদন করে মানুষের মাঝে বাস করব। আমি চাই মানুষ  যেন আমাকে তাদেরই সন্তানের মতোই ভাবে। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সে স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই। স্বপ্ন দেখি এমন একটি  সোনার বাংলার যে স্বপ্ন জাতির জনক দেখেছিলেন। আমি সে স্বপ্নের একজন অক্লান্তকর্মী হতে চাই।

ছাত্রলীগের সভাপতি জাকিরুল হাসান জিকু আরও বলেন, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসের জনক হলো মাদক। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এসব সামাজিক ঘাতকের বিরুদ্ধে উপজেলা ছাত্রলীগ লড়াই করে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ ও ২০৪১ সালের যে ভিশন দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করতে হলে এই তিন ঘাতকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে আমাদের। এজন্য উপজেলা  ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটের নেতা-কর্মীকে কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বান করা হয়েছে।

এবং  ছাত্রলীগ একটি সুশৃঙ্খল ছাত্রসংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত দেশের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রাম ও দুর্যোগময় মুহুর্তে ভূমিকা রেখে আসছে এই ছাত্রলীগ। উপজেলা ছাত্রলীগের  কোনো অছাত্র, ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের স্থান নেই।  মাদক ও সন্ত্রাস থেকে নিজ পরিবার ও সমাজকে নিরাপদ রাখতে হলে এখনই প্রতিবাদ করার সময়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here